KTM 160 Duke-এর জনপ্রিয়তা তরুণ প্রজন্মের কাছে যে কতটা, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। গতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জমাটি স্টাইলের জন্য এই বাইকের বিপুল চাহিদা। এবারে আরও বেশি সংখ্যক ক্রেতাকে আকৃষ্ট করতে ১৬০ ডিউক পেল টিএফটি ডিসপ্লে। নতুন এলসিডি ডিসপ্লে যোগ হওয়ায় মোটরসাইকেলটির দাম স্ট্যান্ডার্ড মডেলের তুলনায় ৯,০০০ টাকা বেড়েছে। নয়া মডেলটির কেনার খরচ ১.৭৯ লাখ টাকা (এক্স-শোরুম, দিল্লি)।
KTM 160 Duke টিএফটি ডিসপ্লে পেল
জানিয়ে রাখি, ১৬০ ডিউক-এর নতুন টিএফটি ইন্ট্রুমেন্ট কনসোলটি Gen-3 KTM 390 Duke থেকে নেওয়া হয়েছে। নতুন সুইচগিয়ারের সঙ্গে বন্ডেড গ্লাস ডিসপ্লে পেয়ার করা রয়েছে। এই সুইচগিয়ারে উপলব্ধ রয়েছে ফোর ওয়ে মেনু সিলেক্টর। এতে রাইডার যে কোন মেনু খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। আবার স্ক্রিনটি ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি এবং নেভিগেশন সমর্থন করবে। তবে সেটি কেবলমাত্র কেটিএম মাই রাইড অ্যাপে সংযুক্ত থাকাকালীনই।
আরও পড়ুন: বছর কাটবে শীতহীনতায়! পারদের পতন কি তবে শেষ?
এই সিস্টেমে ইনকামিং কল অ্যালার্ট সমর্থন করবে। এতে করে ব্যবহারকারীর কল এলে তা রিসিভ বা রিজেক্ট করতে পারবেন। এছাড়াও রাইডার যদি ব্লুটুথ সমর্থন করে এমন হেলমেট পড়ে থাকেন, তবে সেখান থেকে মিউজিক শুনতে পারবেন। আবার স্ক্রিনেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভেসে উঠবে।
ডিসপ্লে-এর মাহাত্ম্য
টিএফটি ডিসপ্লে-এর মাধ্যমে চালক কেটিএম সুপারমোটো এবিএস মোড অ্যাক্সেস করতে পারবেন। এতে নির্দষ্ট কোন রাইডিং মোডে পেছনের এবিএস-কে কাজে না লাগিয়ে পথ চলা যাবে। শিফ্ট আরপিএম ও লিমিট আরপিএম-এর মাধ্যমে চালক নিজের বাইকের ডিসপ্লে পছন্দ মতো সাজিয়ে নিতে পারবেন। ডিসপ্লেতে রয়েছে ডার্ক ও অরেঞ্জ থিম ইন্টারফেস। আবার লেআউটের শর্টকাটও ননিজের খুশি মতো কাস্টমাইজ করার উপায় রয়েছে।
আরও পড়ুন: অসংখ্য ক্রেতার প্রত্যাশায় জল ঢালল 2025 Bajaj Pulsar 220F! কেন শুনবেন?
কারিগরির প্রসঙ্গে বললে, KTM 160 Duke-তে কোন পরিবর্তন ঘটানো হয়নি। স্ট্যান্ডার্ড মডেলের মতোই এতে দেওয়া হয়েছে একটি ১৬৪ সিসি, লিকুইড কুল্ড, সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিন। এটি থেকে সর্বোচ্চ ১৮.৭৩ বিএইচপি শক্তি এবং ১৫.৫ এনএম টর্ক উৎপন্ন হবে। ইঞ্জিনের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে ছয়-গতির গিয়ারবক্স। যাই হোক, সবমিলিয়ে নতুন ভার্সনের ১৬০ ডিউক আরও বেশি ব্যবহারকারীর ভরসার পথ চলার সঙ্গী হয়ে উঠবে বলেই আশাবাদী কেটিএম।
