পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন পর্ষদ (PEDB Scholarship) আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৫ সালের চতুর্থ শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেছে। এ বছর মোট ১,৬৪,৫৮১ জন পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। রাজ্যের ২০২০টি কেন্দ্রে বাংলা, হিন্দি ও উর্দু মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হয়।
মেধাতালিকায় স্থানাধিকারীরা (PEDB Scholarship)
এবারের পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে জেলার খুদে পড়ুয়ারা। মেধাতালিকার প্রথম তিনটি স্থানে রয়েছে:
- প্রথম স্থান: বীরভূম জেলার সারোজিনী দেবী শিশু শিক্ষা মন্দিরের ছাত্র ত্রিরাঞ্জন চ্যাটার্জী (প্রাপ্ত নম্বর: ৩৯৫)।
- দ্বিতীয় স্থান: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সরস্বতী শিশু বিদ্যা মন্দিরের ছাত্রী স্মৃতিজা দে (প্রাপ্ত নম্বর: ৩৯২)।
- তৃতীয় স্থান: নদীয়া জেলার কল্যাণী রবি তীর্থ বিদ্যালয়ের ছাত্রী অদ্রি মিত্র (প্রাপ্ত নম্বর: ৩৯১)।
বৃত্তি ও পুরস্কার ঘোষণা
পর্ষদ জানিয়েছে, এ বছর মোট ৮০০ জন মেধাবী পরীক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হবে।
- রাজ্য স্তরের বৃত্তি: ১২৫ জন রাজ্য স্তরের কৃতি শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ১২০০ টাকা বৃত্তি দেওয়া হবে।
- জেলা স্তরের বৃত্তি: প্রত্যেক কৃতি শিক্ষার্থীকে ৬০০ টাকা জেলা স্তরের বৃত্তি প্রদান করা হবে।
প্রথম স্থানাধিকারীকে অধ্যাপক সুশীল কুমার মুখোপাধ্যায়ের স্মরণে স্বর্ণপদক, দ্বিতীয় স্থানাধিকারীকে রৌপ্য পদক এবং তৃতীয় স্থানাধিকারীকে ব্রোঞ্জ পদক দিয়ে সম্মানিত করা হবে।
আগামী ২২ মার্চ, ২০২৬ তারিখে কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিরোজিও হলে কেন্দ্রীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কৃতিদের পুরস্কৃত করা হবে। এছাড়া ২৯ মার্চ, ২০২৬ তারিখে পাঁচটি জেলা সদরে পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জেলা স্তরের বৃত্তি প্রদান করা হবে।
আরও পড়ুন: বড়দিনেও শীতের দাপট অব্যাহত! জানুন আবহাওয়া আপডেট
পর্ষদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
পর্ষদ সচিব (PEDB Scholarship) অধ্যাপক অনুরূপা দাস এবং সভাপতি অধ্যাপক ধ্রুবজ্যোতি মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, সাধারণ মানুষের জন্য প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের প্রয়োজন। স্কুলগুলিতে ‘পাস-ফেল’ প্রথা পুনরায় প্রবর্তনের লক্ষ্যেই দীর্ঘ ৩২ বছর ধরে এই পরীক্ষা পরিচালনা করা হচ্ছে। একইসাথে জানানো হয়েছে, প্রতি বছরের মতো আগামী ২০২৬ সালেও চতুর্থ শ্রেণীর এই বৃত্তি পরীক্ষা যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।
