2026 KTM 250 Duke: ২০০ ডিউক-এর পর কেটিএম ইন্ডিয়া তাদের জনপ্রিয় ২৫০ ডিউক মোটরসাইকেলও দুটি নতুন রঙের সংস্করণে হাজির করল। ভারতীয় বাজারে লঞ্চ হওয়া বাইকটি সিলভার মেটালিক গ্রে এবং স্লেট গ্রে কালার আপডেট পেয়েছে। যদিও এই আপডেটটি মূলত বাহ্যিক সাজসজ্জার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। তবে নতুন এই শেডগুলি মোটরসাইকেলটিকে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি রূপ দিয়েছে। কেটিএম সাধারণত তাদের বাইকে খুব চড়া এবং বিপরীতধর্মী রঙ ব্যবহারের জন্য সুপরিচিত। তবে এবারের এই নতুন বিকল্পগুলি আগের চেয়ে অনেক বেশি মার্জিত এবং শান্ত প্রকৃতির। নতুন এই দুটি কালার ছাড়াও ২৫০ ডিউক আগের মতোই এবনি ব্ল্যাক, ইলেকট্রনিক অরেঞ্জ এবং আটলান্টিক ব্লু রঙে পাওয়া যাবে।
2026 KTM 250 Duke-এর দাম ও কালার অপশন
জানিয়ে রাখি, কোম্পানি এই আপডেটের জন্য বাইকের দাম একটাকাও বাড়ায়নি। ফলত কেটিএম ২৫০ ডিউকের (2026 KTM 250 Duke) এক্স-শোরুম দাম ২,১৩,৬১৮ টাকাই রয়েছে। দুটি নতুন ফিনিশ যুক্ত হওয়ার ফলে এই স্ট্রিটফাইটার বাইকটি এখন মোট পাঁচটি আকর্ষণীয় রঙে বাজারে উপলব্ধ রয়েছে। সিলভার মেটালিক গ্রে রঙের মডেলটিতে ফুয়েল ট্যাঙ্কের মাঝখানের অংশটি কিছুটা ডার্ক রাখা হয়েছে। এর সঙ্গে থাকা ধূসর সাইড প্যানেল এবং হালকা গ্রাফিক্স বাইকটিকে একটি পরিপক্ক লুক দিয়েছে। যারা ডিউকের তীক্ষ্ণ স্টাইল পছন্দ করেন কিন্তু খুব বেশি উজ্জ্বল রঙ এড়িয়ে চলতে চান, তাঁদের কাছে এই মডেলটি বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। অন্যদিকে স্লেট গ্রে রঙটি ধূসর শেডের সঙ্গে কেটিএম-এর সিগনেচার কমলা রঙের একটি চমৎকার সংমিশ্রণ বাইকটিতে স্পোর্টি ভাব ফুটিয়ে তুলেছে।
আরও পড়ুন: আজীবন ওয়ারেন্টি! সদ্য লঞ্চ হওয়া Tata Punch EV Facelift-এর বুকিং শুরু হল
কারিগরি বৈশিষ্ট্যের প্রসঙ্গে বললে, মোটরসাইকেলটি আগের মতোই রাখা হয়েছে। সেই একই ২৪৯ সিসি সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিনে ছুটবে। যা একটি ৬-স্পিড গিয়ারবক্সের সঙ্গে যুক্ত। এটি ৯,২৫০ আরপিএম-এ ৩১ পিএস শক্তি এবং ৭,২৫০ আরপিএম-এ ২৫ এনএম টর্ক উৎপাদন করতে সক্ষম। শক্তিশালী মিড-রেঞ্জ পারফরম্যান্সের জন্য পরিচিত ইঞ্জিনটি শহরের ব্যস্ত রাস্তায় বা হাইওয়েতে দ্রুত চালানোর সময় নিজের কেরামতি দেখাবে। পারফরম্যান্স প্রেমীদের কাছে এই ইঞ্জিন বরাবরই নির্ভরযোগ্য বলে প্রমাণিত হয়ে এসেছে।
বাইকের ফিচারের তালিকায় কোনো বদল আনা হয়নি। ২৫০ ডিউকে (2026 KTM 250 Duke) আগের মতোই টিএফটি ডিসপ্লে এবং সম্পূর্ণ এলইডি লাইটিং সেটআপ দেওয়া হয়েছে। এতে রাইড-বাই-ওয়্যার থ্রটেল এবং সুপারমটো এবিএস মোড ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যাবে। এই দ্বিচক্রযান একটি শক্তিশালী ট্রেলিস ফ্রেমের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এর সামনের দিকে ৪৩ মিমি আপসাইড-ডাউন ফর্ক এবং পেছনের দিকে ১০-স্টেপ প্রিলোড অ্যাডজাস্টেবল মনোশক সাসপেনশন বর্তমান। ব্রেকিং সিস্টেম হিসেবে বাইকের সামনে ৩২০ মিমি ডিস্ক এবং পেছনে ২৪০ মিমি ডিস্ক ব্রেক ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করে।
