ভারতীয় রেসিং বাইকের বাজারে আলোড়ন জাগাতে চলেছে বাজাজ অটো (Bajaj Auto)। দেশীয় অটোমোবাইল জায়ান্টটি এক বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। নতুন জিএসটি-র (GST) সংশোধিত নিয়মের সাথে তাল মেলাতে তুলনামূলক সস্তার বাইক আনছে বাজাজ। এতে ক্রেতাদের পকেটের চাপ কমবে। জানা গিয়েছে, ৩৫০ সিসির নিচের বাইকগুলির ওপর করের হার কম হওয়ায় বাজাজ এখন তাদের ৪০০ সিসি সেগমেন্টের মডেলগুলি ৩৫০ সিসি প্ল্যাটফর্মে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছে। এর ফলে খুব শীঘ্রই ভারতীয় রাস্তায় দাপিয়ে বেড়াতে দেখা যাবে নতুন ‘পালসার ৩৫০’ (Pulsar 350) এবং ‘ডোমিনার ৩৫০’ (Dominar 350)। বাজাজের এই কৌশল তাদের সহযোগী ব্র্যান্ড ট্রায়াম্ফ এবং কেটিএম-এর ক্ষেত্রেও কার্যকর হতে পারে।
ইঞ্জিন প্রযুক্তির দিক থেকে বিচার করলে, এই ৩৫০ সিসি ইঞ্জিনটি একদম নতুন কোনো উদ্ভাবন নয়। বর্তমানে বাজাজের (Bajaj) যে ৩৭৩ সিসি ইঞ্জিনটি পালসার এনএস ৪০০জেড বা ডোমিনার ৪০০-তে ব্যবহৃত হয়, সেটির বোর কিছুটা কমিয়ে এবং স্ট্রোক একই রেখে ডিসপ্লেসমেন্ট ৩৫০ সিসিতে নামিয়ে আনা হবে। ইঞ্জিনের ক্ষমতা কিছুটা কমলেও এটি আগের চেয়ে অনেক বেশি ইউজার-ফ্রেন্ডলি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইঞ্জিনের শক্তি বর্তমান মডেলগুলির তুলনায় কিছুটা কম হতে পারে। তবে হাইওয়ে রাইডিংয়ের ক্ষেত্রে এটি আরও মসৃণ অভিজ্ঞতা প্রদান করবে। পালসার ৩৫০-এর ক্ষেত্রে ইঞ্জিনের এই পরিবর্তন ছাড়া অন্য কোনো বড় যান্ত্রিক বদলের সম্ভাবনা কম। তবে ডোমিনারের ক্ষেত্রে চিত্রটা একটু আলাদা হতে পারে।
বাজাজ ডোমিনার প্রায় নয় বছর ধরে বাজারে রয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে এর ডিজাইনে খুব একটা বড় পরিবর্তন আসেনি। অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ৩৫০ সিসি প্ল্যাটফর্মে আসার সুযোগে বাজাজ হয়তো ডোমিনারের ওজন কিছুটা কমিয়ে একে আরও আধুনিক লুক দিতে পারে। পাশাপাশি এতে নতুন উন্নত প্রযুক্তি ফিচার যুক্ত করার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ডোমিনারের ওজন কমানোর বিষয়টি নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, যা এবার পূরণ হতে পারে। পালসার ৩৫০-এর ক্ষেত্রেও বাজাজ চাইবে যাতে বাইকটির স্পোর্টি লুক বজায় রেখে একে আরও সাশ্রয়ী করে তোলা যায়।
আরও পড়ুন: পালসার প্রেমীদের জন্য বড় খবর! মে মাসের মধ্যে বাজারে আসছে ৮টি নতুন মডেল
এই বড় পরিবর্তনের নেপথ্যে মূল কারণ হল বর্তমান কর কাঠামো। বর্তমানে পালসার এনএস ৪০০জেড এবং ডোমিনার ৪০০-এর ওপর নতুন জিএসটি নিয়মে প্রায় ৪০ শতাংশ কর দিতে হয়। এতদিন বাজাজ এই বাড়তি করের বোঝা নিজেরা বহন করলেও, দীর্ঘমেয়াদী ক্ষেত্রে এটি ব্যবসায়ের জন্য লাভজনক নয়। অন্যদিকে, ৩৫০ সিসির নিচে বাইকগুলি ১৮ শতাংশ করের আওতায় পড়ে। ফলে ৩৭৩ সিসি থেকে ৩৫০ সিসিতে নেমে এলে বাইকের দাম একধাক্কায় অনেকটা কমে যাবে। এতে বাজাজ বাজারে আরও সাশ্রয়ী দামে এই বাইকগুলি লঞ্চ করতে পারবে। যা সরাসরি সাধারণ মানুষের পকেটে স্বস্তি দেবে। যদিও এই নতুন মডেলগুলি কবে নাগাদ শোরুমে আসবে তার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ভারতের বাজারে এই নতুন ৩৫০ সিসি বিপ্লব শুরু হতে পারে।
Royal Enfield Bullet 650 অবশেষে ভারতের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হল। মোটরসাইকেলপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে…
New-gen Tata Tiago: ভারতের গাড়ি বাজারে মধ্যবিত্তের অন্যতম পছন্দের এবং অন্যতম সেরা বিক্রিত হ্যাচব্যাক টাটা…
তীব্র গরম আর অস্বস্তিকর আবহাওয়ার (West Bengal Weather Update) পর অবশেষে দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের জন্য স্বস্তির…
গ্রহমণ্ডলীর অবস্থান পরিবর্তন (Rashifal Bangla) এবং মহাজাগতিক শক্তির প্রবাহ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রতিনিয়ত নতুন তরঙ্গ…
পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের সামাজিক ও আর্থিক সুরক্ষার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। নবান্ন থেকে…
মহাবিশ্বের অন্তহীন দূর নীলিমায় গ্রহ-নক্ষত্রের (Bangla Rashifal) নিরন্তর আবর্তন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সুখ-দুঃখ, সাফল্য ও…