Toyota Hydrogen Scooter: বিশ্ব জুড়ে বৈদ্যুতিক যানবাহনের জয়জয়কার। ঠিক সেই মুহূর্তে বিকল্প জ্বালানির সন্ধানে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করল টয়োটা। সম্প্রতি জাপানি এই গাড়ি নির্মাণকারী সংস্থাটি একটি হাইড্রোজেন চালিত স্কুটারের পেটেন্ট ফাইল করেছে। যা দু’চাকার যানবাহনের দুনিয়ায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির এক নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে। টয়োটার এই নতুন কনসেপ্ট মডেলটি মূলত ম্যাক্সি-স্কুটার সেগমেন্টে ইতিমধ্যেই বেশ জনপ্রিয় সুজুকি বারগম্যান ৪০০ (Suzuki Burgman 400) প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে যাত্রার প্রসঙ্গ উঠলেই বর্তমানে ইভি বা ইলেকট্রিক ভেহিকেলের কথাই সকলের মাথায় আসে। তবে অনেকেরই হয়তবা জানা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রযুক্তিও ধীরে ধীরে বিকল্প সমাধান হিসেবে জায়গা করে নিচ্ছে। প্রসঙ্গক্রমে জানিয়ে রাখি, টয়োটা ইতিমধ্যেই তাদের ‘মিরাই’ (Toyota Mirai) গাড়িতে সাফল্যের সঙ্গে হাইড্রোজেন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। এই নতুন পেটেন্টটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সংস্থা এবার ছোট যানবাহনের ক্ষেত্রেও একই ধরণের প্রযুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে আগ্রহী।
আরও পড়ুন: Bajaj Pulsar NS400Z কিনবেন? একলাফে ১৪,০০০ টাকা সস্তা হয়েছে
এই স্কুটির প্রধান আকর্ষণ হল এর হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল সিস্টেম (Toyota Hydrogen Scooter)। সাধারণ রিফুয়েলিং পদ্ধতির বদলে এতে ব্যবহার করা হয়েছে পরিবর্তনযোগ্য হাইড্রোজেন ক্যানিস্টার। কিছু ইলেকট্রিক স্কুটারে যেমন রিমুভেবল ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়, এখানেও ঠিক তেমনি খালি ক্যানিস্টারটি সরিয়ে দ্রুত নতুন একটি ভর্তি ক্যানিস্টার লাগিয়ে নেওয়া যাবে। প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো থাকলে এই ব্যবস্থাটি রিফুয়েলিং বা জ্বালানি ভরার প্রক্রিয়াকে অনেক বেশি দ্রুত ও সুবিধাজনক করে তুলবে।
পেটেন্ট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, টয়োটা হাইড্রোজেন ট্যাঙ্ক এমনভাবে স্থাপন করেছে যাতে তা সহজেই খুলে নেওয়া যায়। ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এবং পুরো প্রক্রিয়াটিকে সহজ করতে টয়োটা একাধিক পদ্ধতি প্রদর্শন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে সুইং-আউট মেকানিজম এবং লিঙ্কেজ-ভিত্তিক সিস্টেম। নকশাটি মূলত ব্যবহারকারীর স্বাচ্ছন্দ্যের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
হাইড্রোজেন চালিত স্কুটারের (Toyota Hydrogen Scooter) এই ধারণা কিন্তু একেবারে নতুন নয়। ২০২৩ সালের জাপান মোবিলিটি শো-তে সুজুকি প্রথমবার তাদের হাইড্রোজেন চালিত বারগম্যান কনসেপ্ট প্রদর্শন করেছিল। বর্তমান পেটেন্টটি সেই ধারণারই আরও উন্নত রূপ বলে মনে করা হচ্ছে। হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটি উপজাত হিসেবে শুধুমাত্র জল উৎপাদন করে। ফলে পেট্রোল-ডিজেলের ইঞ্জিনের তুলনায় এটি অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব। তবে এর পথে কিছু বাধাও রয়েছে। বিশেষ করে হাইড্রোজেন প্রযুক্তির উচ্চমূল্য এবং পর্যাপ্ত রিফুয়েলিং স্টেশনের অভাব এই ধরণের স্কুটারের বাণিজ্যিক প্রসারের ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আপাতত এটি একটি পেটেন্ট ফাইলিং হিসেবেই সীমাবদ্ধ। টয়োটা এই মডেলটি উৎপাদনের বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা করেনি। তবে এই উদ্যোগ পরিষ্কারভাবে প্রমাণ করে যে, বিশ্বজুড়ে নির্মাতারা পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থার জন্য নতুন নতুন পথ অন্বেষণ করে চলেছেন।
Royal Enfield Bullet 650 অবশেষে ভারতের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হল। মোটরসাইকেলপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে…
New-gen Tata Tiago: ভারতের গাড়ি বাজারে মধ্যবিত্তের অন্যতম পছন্দের এবং অন্যতম সেরা বিক্রিত হ্যাচব্যাক টাটা…
তীব্র গরম আর অস্বস্তিকর আবহাওয়ার (West Bengal Weather Update) পর অবশেষে দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের জন্য স্বস্তির…
গ্রহমণ্ডলীর অবস্থান পরিবর্তন (Rashifal Bangla) এবং মহাজাগতিক শক্তির প্রবাহ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রতিনিয়ত নতুন তরঙ্গ…
পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের সামাজিক ও আর্থিক সুরক্ষার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। নবান্ন থেকে…
মহাবিশ্বের অন্তহীন দূর নীলিমায় গ্রহ-নক্ষত্রের (Bangla Rashifal) নিরন্তর আবর্তন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সুখ-দুঃখ, সাফল্য ও…