পশ্চিমবঙ্গে এখন লুকোচুরি খেলছে শীত (West Bengal Weather Forecast)। একদিকে যেমন কলকাতার তাপমাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে শীতপ্রেমীদের কিছুটা হতাশ করেছে, অন্যদিকে জেলাগুলোতে শীতের কামড় এখনও বেশ জোরালো। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস সত্যি করে শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দাঁড়িয়েছে ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবারের তুলনায় প্রায় ১.৫ ডিগ্রি বেশি। উল্লেখ্য, গত বুধবার শহরবাসী ১১ ডিগ্রি তাপমাত্রার রেকর্ড পারদ পতনের সাক্ষী ছিল। এটিই ছিল মরশুমের শীতলতম দিন। তবে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে তাপমাত্রা ফের ১৩ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছে যাওয়ায় শীতের দাপট সাময়িকভাবে কিছুটা ফিকে হয়েছে তিলোত্তমায়।
কলকাতায় পারদ ঊর্ধ্বমুখী হলেও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের হাড়কাঁপানো আমেজ বিন্দুমাত্র কমেনি। শুক্রবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাহাড়ি শহর দার্জিলিং ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নিয়ে রাজ্যের শীতলতম স্থানের তকমা ধরে রেখেছে। তবে নজর কেড়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যেকার তীব্র প্রতিযোগিতা। বীরভূমের সিউড়ি ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নিয়ে দক্ষিণবঙ্গের শীতলতম শহরের শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছে। পিছিয়ে নেই অন্যান্য জেলাগুলিও। মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে তাপমাত্রা ছিল ৮.৪ ডিগ্রি, হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় ৮.৬ ডিগ্রি, বীরভূমের শ্রীনিকেতনে ৮.৮ ডিগ্রি এবং নদিয়ার কল্যাণী ৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে শীতের দাপট বজায় রেখেছে। এছাড়া কৃষ্ণনগর, ব্যারাকপুর ও বর্ধমানের মতো এলাকাগুলোতেও পারদ ১০ ডিগ্রির নিচেই ঘোরাফেরা করছে।
ঠান্ডার পাশাপাশি এখন বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ঘন কুয়াশা। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার দাপট থাকবে। বিশেষ করে হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা মাত্র ৫০ মিটারে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে সড়ক ও রেলপথে অসাবধানতাজনিত যাতায়াত বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। গাড়ি ও ট্রেন চালকদের এই পরিস্থিতিতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণ যখন কুয়াশায় ঢাকা, উত্তরবঙ্গ তখন বৃষ্টির আশঙ্কায় কাঁপছে। হাওয়া অফিস দার্জিলিঙে তুষারপাতের প্রবল সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে, যা পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের খবর হলেও স্থানীয়দের জন্য কষ্টের কারণ হতে পারে। এছাড়া জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারের কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রার বড় কোনো পরিবর্তন না হলেও, দুই দিন পর থেকে পারদ আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি নামতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার রায়গঞ্জে ৯.৫ এবং কোচবিহারে ১০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আগামী দুই দিন দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে হাওয়া অফিস জানিয়েছে। এর ফলে শীতের তীব্রতা (West Bengal Weather Forecast) কিছুটা কম অনুভূত হবে। পরবর্তী তিন দিন তাপমাত্রা মোটামুটি একই থাকলেও, পরবর্তীতে গাঙ্গেয় উপকূলে ফের পারদ পতনের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে আরও একবার হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় কাঁপবে বঙ্গবাসী। আপাতত দক্ষিণবঙ্গের কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া মূলত শুষ্ক ও পরিষ্কার থাকবে। তবে ভোরে ও রাতে কুয়াশার দাপট থেকে এখনই নিষ্কৃতি মিলছে না।
করোনা মহামারীর সেই ভয়াবহ স্মৃতি কি আবার ফিরছে? বলিউডের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী কুমার শানুর পুত্র (Kumar…
আজ সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬। জুলাই মাসের শুরুতে দ্বাদশ রাশির (Daily Horoscope) জাতক-জাতিকদের মানসিক চেতনা,…
সংসারে শান্তি, সমৃদ্ধি বজায় রাখতে বাস্তু শাস্ত্রে (Vastu Tips) বহু নীতি রয়েছে। যেগুলি মেনে চললে…
আজ রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬। জুলাইয়ের দ্বিতীয় (Rashifal Bangla) সপ্তাহের ছুটির দিনে গ্রহরাজদের দ্বাদশ রাশির…
স্মার্টফোন প্রেমীদের জন্য দারুণ সুখবর নিয়ে এল জনপ্রিয় টেক ব্র্যান্ড ভিভো। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে…
ভারতের জনপ্রিয় গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থা মহিন্দ্রা ও মহিন্দ্রা (Mahindra & Mahindra) তাদের এসইউভি (SUV) মডেলের…