ফুকেট-দিল্লি ফ্লাইটের সাম্প্রতিক অপ্রীতিকর ঘটনার পর ড্রাগ স্ক্রিনিং টেস্ট (Pilots fail drug screening test) বাধ্যতামূলক হয়েছে। পাইলটদের ড্রাগ পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতেই হবে। কিন্তু এবারে এয়ার ইন্ডিয়া গ্রুপের আরও দুই পাইলট প্রাথমিক স্ক্রিনিংয়ে অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। সূত্রের খবর, মনস্তাত্ত্বিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিকারী পদার্থ বা ‘সাইকোঅ্যাক্টিভ সাবস্ট্যান্স’ সংক্রান্ত এই স্ক্রিনিংয়ে তাঁদের নমুনা ‘পজিটিভ’ এসেছে। চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণের জন্য নমুনাগুলি পরবর্তী পরীক্ষার ল্যাবে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে চূড়ান্ত রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে সংস্থা।
ড্রাগ স্ক্রিনিং টেস্টে অনুত্তীর্ণ দুই পাইলট (Pilots fail drug screening test)
প্রাথমিক পরীক্ষার বিষয়ে প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত এক কর্মকর্তা বলেন, “স্ক্রিনিংয়ের প্রাথমিক ফলাফলে (Pilots fail drug screening test) কোনো রাসায়নিক উপাদান বা পদার্থের উপস্থিতি চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে স্ক্রিনিংয়ে নন-নেগেটিভ রেজাল্ট আসা মানেই চূড়ান্তভাবে নিষিদ্ধ সাইকোঅ্যাক্টিভ পদার্থ সেবনের প্রমাণ নয়। ল্যাবের কনফার্মেটরি বা নিশ্চিতকরণ পরীক্ষার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে ওই দুই পাইলট প্রকৃতপক্ষে নিষিদ্ধ উপাদান গ্রহণ করেছিলেন কি না।”
আরও পড়ুন: আপনার পছন্দের পাবেই মিলছে পচা খাবার! হানা দিয়ে লাইসেন্স বাতিল করল প্রশাসন
ফুকেট-দিল্লি এআই ২৩৭৯ (AI2379) ফ্লাইটের কমান্ডার-ইন-চিফকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হওয়ার পর, গত ১৩ অগস্ট থেকে এয়ার ইন্ডিয়া গ্রুপ তাদের সমস্ত পাইলটদের জন্য এই সাইকোঅ্যাক্টিভ সাবস্ট্যান্স পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করে। বিমান সংস্থার সূত্রের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, “এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ জন পাইলটের প্রাথমিক স্ক্রিনিং সম্পন্ন হয়েছে এবং এই বাধ্যতামূলক পরীক্ষা প্রক্রিয়াটি ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখা হচ্ছে।”
এখনও পর্যন্ত স্ক্রিনিং প্রক্রিয়ায় যে দুজন পাইলটের রিপোর্ট পজিটিভ (Pilots fail drug screening test) এসেছে, তাঁদের বিষয়ে ওই কর্মকর্তা আরও যোগ করেন, “তাঁরা কোনো নিষিদ্ধ সাইকোঅ্যাক্টিভ পদার্থ সেবন করেছিলেন কি না, তা শতভাগ নিশ্চিত করতেই নমুনাগুলির গভীর বিশ্লেষণ ও ল্যাব টেস্টে পাঠানো হচ্ছে।” ফুকেট-দিল্লি বিমান সংক্রান্ত সংকটের পর এয়ারলাইন্স গ্রুপের নিরাপত্তা ও নিয়মানুবর্তিতা কঠোর করার অংশ হিসেবেই পাইলটদের জন্য এই বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
