আজ ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ সংক্রান্তির পুণ্যলগ্নে রাজ্য জুড়ে এক মনোরম অথচ কনকনে শীতের আমেজ পরিলক্ষিত হয়েছে (WB Weather Forecast)। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মকর সংক্রান্তির দিন থেকেই রাজ্যে উত্তুরে হাওয়ার দাপট পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে শীতের কামড় ভালোই টের পাওয়া যাচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ – সর্বত্রই তাপমাত্রার পারদ স্বাভাবিকের নিচে অবস্থান করছে।
কলকাতায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (WB Weather Forecast) ছিল প্রায় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা কম। আবার উত্তর ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে কনকনে শীতের প্রভাব ছিল অনেক বেশি। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং বীরভূমের মতো জেলাগুলিতে তাপমাত্রা কোথাও ৯ আবার কোথাও ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যাওয়ায় হাড়কাঁপানো ঠান্ডার অনুভূতি ছিল স্পষ্ট।
আগামী কয়েকদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে হাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই ঠান্ডা এখনই কমার কোনো লক্ষণ নেই। বরং আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। এর ফলে কলকাতার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে শৈত্যপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যেখানে পারদ ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। আগামী ১৫ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই আকাশ মূলত পরিষ্কার ও শুষ্ক থাকবে। বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা না থাকলেও উত্তুরে হাওয়ার অবাধ প্রবেশের ফলে শীতের এই ইনিংস দীর্ঘায়িত হতে পারে।
উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা এবং অধিকতর কষ্টদায়ক। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে আগামী তিন-চার দিন ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সকালের দিকে দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যা সড়ক ও রেল পরিবহণে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। পার্বত্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে। যদিও বৃহস্পতিবার থেকে একটি নতুন পশ্চিমি ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতে প্রবেশের কথা রয়েছে। তবে তার প্রভাব বাংলায় এখনই সরাসরি না পড়লেও সপ্তাহান্তে মেঘলা আকাশ বা তাপমাত্রার সামান্য হেরফের ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।
আরও পড়ুন: বাংলায় নিপা ভাইরাসের থাবা, আক্রান্ত দুই নার্সের অবস্থা আশঙ্কাজনক
এদিকে, শীতের পাশাপাশি কলকাতার বায়ুদূষণ (WB Weather Forecast) নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আজ শহরের বাতাসের মান বা একিউআই (AQI) বেশ খারাপ পর্যায়ে ছিল। কুয়াশা ও ধোঁয়াশার সংমিশ্রণে ভোরে ও রাতে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। তাই প্রাতঃভ্রমণকারী এবং শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, মাঘের শুরুতেও শীতের এই দাপট অব্যাহত থাকবে। পর্যাপ্ত গরম পোশাক সাথে রাখা এবং কুয়াশাচ্ছন্ন রাস্তায় চলাচলের সময় গতি নিয়ন্ত্রণ রাখা একান্ত প্রয়োজন।
সামনেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট। নাওয়া-খাওয়া ফেলে জোরকদমে চলছে ভোটপ্রচার। রাজ্যের সমস্ত পার্টির ক্ষেত্রে চিত্রটি প্রায়…
চৈত্র সংক্রান্তির (WB Weather Update April) শেষ লগ্নে এসে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া যখন চূড়ান্ত অস্বস্তিকর হয়ে…
সোমবার নয়ডায় শ্রমিকদের তীব্র আন্দোলনের (UP govt hikes daily wages) জেরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল এনসিআর-এর…
১৪ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার: আজ মঙ্গলবার বাংলা বছরের শেষ দিন (Rashifal Bangla) অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তি।…
ভারতের মোটরসাইকেল বাজারে বড়সড় রদবদল ঘটিয়ে বাজাজ অটো তাদের জনপ্রিয় ফ্ল্যাগশিপ বাইক ডোমিনার ৪০০-এর একটি…
ভারতীয় সঙ্গীতের এক স্বর্ণযুগের অবসান ঘটিয়ে চিরবিদায় নিলেন কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle Cremated…