চৈত্র সংক্রান্তির (WB Weather Update April) শেষ লগ্নে এসে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া যখন চূড়ান্ত অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে, ঠিক তখনই স্বস্তির খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। আজ মঙ্গলবার, বছরের শেষ দিনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ভ্যাপসা গরম আর আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকলেও, রাত পোহালেই বদলে যাবে দৃশ্য। অর্থাৎ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের প্রথম দিনেই বৃষ্টির আমেজ নিয়ে শুরু হতে পারে বাঙালির নববর্ষ। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পয়লা বৈশাখ থেকেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বর্তমানে উত্তর-পূর্ব উত্তরপ্রদেশ থেকে মণিপুর পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। যা উত্তর-পূর্ব বিহারের ওপর ঘূর্ণাবর্ত হিসেবে অবস্থান করছে। এই অক্ষরেখাটি গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশ এবং বাংলাদেশ অতিক্রম করে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ০.৯ কিমি উচ্চতায় আছে। এর প্রভাবে নিম্নস্তরের বায়ুমণ্ডলে শুষ্ক পশ্চিমী ও উত্তর-পশ্চিমী বায়ু প্রবাহিত হতে পারে। এই বায়ুমণ্ডলীয় পরিবর্তনের কারণেই আজ মঙ্গলবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে চরম অস্বস্তিকর আবহাওয়া। রোদের তেজের সঙ্গে বাতাসের জলীয় বাষ্পের আধিক্য সাধারণ মানুষের কালঘাম ছুটিয়ে দিচ্ছে।
তবে প্রকৃতি দক্ষিণবঙ্গের জন্য নিজের আশীর্বাদের ডালি সাজিয়েই রাখছে। আগামীকাল, ১৫ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের দিন থেকেই ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে আবহাওয়া পরিবর্তনের (WB Weather Update April)ইঙ্গিত রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর জানায়, এই জেলাগুলিতে প্রতি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে এবং সেই সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দুর্যোগের প্রবল আশঙ্কা। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। ফলে নতুন বছরের সূচনায় তপ্ত রোদের বদলে বৃষ্টির ছোঁয়া পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন: চৈত্রের শেষে নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গ! এই জেলাগুলির জন্য সতর্কবার্তা
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আগে থেকেই বৃষ্টির দাপট জারি রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাসের জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পঙে। পাহাড়ি এই জেলাগুলিতে বৃষ্টির পাশাপাশি ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সমতলের জেলাগুলোতে গরমের দাপট থাকলেও ওপরের দিকের জেলায় জেলায় বজ্রপাত ও বৃষ্টির সম্ভাবনা যথেষ্ট।
আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করেছেন, যাতে বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গায় কেউ না থাকে। কারণ তা অত্যন্ত বিপজ্জনক। ঝড়-বৃষ্টি চলাকালীন গাছ, পোস্ট ল্যাম্প বা দুর্বল কোনো কাঠামোর নিচে আশ্রয় না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে জলাশয়ের সংস্পর্শ এড়িয়ে নিরাপদ পাকা আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষকে। চৈত্র সেলের কেনাকাটা সেরে যখন নতুন বছরের উৎসবে মেতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলা, তখন এই আকস্মিক বৃষ্টির সম্ভাবনা একদিকে যেমন দহনজ্বালা থেকে মুক্তি দেবে, অন্যদিকে উৎসবের আনন্দ কিছুটা ম্লান করতে পারে। তবে সবটাই সময় উত্তর জেবে। আপাতত এক পশলা বৃষ্টির প্রতীক্ষায় দিন গুনছে তপ্ত দক্ষিণবঙ্গ (WB Weather Update April)।
সোমবার নয়ডায় শ্রমিকদের তীব্র আন্দোলনের (UP govt hikes daily wages) জেরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল এনসিআর-এর…
১৪ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার: আজ মঙ্গলবার বাংলা বছরের শেষ দিন (Rashifal Bangla) অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তি।…
ভারতের মোটরসাইকেল বাজারে বড়সড় রদবদল ঘটিয়ে বাজাজ অটো তাদের জনপ্রিয় ফ্ল্যাগশিপ বাইক ডোমিনার ৪০০-এর একটি…
ভারতীয় সঙ্গীতের এক স্বর্ণযুগের অবসান ঘটিয়ে চিরবিদায় নিলেন কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle Cremated…
ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X (পূর্বনাম টুইটার) তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য (Elon Musk's X…
‘ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো’ (Infinix Note 60 Pro launched) ভারতের বাজারে লঞ্চ হল। দেশের স্মার্টফোন…