পালসারপ্রেমীদের (Bajaj Pulsar) জন্য দারুণ খবর। এবার জনপ্রিয় পালসার ব্যান্ডের প্রতিটি মডেলেই টিএফটি (TFT) স্ক্রিন দিতে চলেছে বাজাজ অটো। সম্প্রতি কোম্পানি তাদের ২০২৬ সালের নতুন পালসার এন১৬০ (Pulsar N160) লঞ্চ করেছে, যার শীর্ষ এসএস (SS) ভ্যারিয়েন্টে আধুনিক টিএফটি ড্যাশবোর্ড অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাজাজের যেকোনো দু-চাকার গাড়িতে এই প্রথম টিএফটি স্ক্রিনের ব্যবহার দেখা গেল।
বাজাজ পালসার বাইকে (Bajaj Pulsar) টিএফটি স্ক্রিন
এবার এই ধারা অনুসরণ করে পুরো পালসার পরিবারের অন্যান্য মডেলেও পুরোনো এলসিডি বা সেমি-ডিজিটাল কনসোলের পরিবর্তে টিএফটি স্ক্রিন বসানো হবে। এই তালিকায় পরবর্তী মডেল হতে চলেছে পরবর্তী প্রজন্মের পালসার ১৫০ ক্লাসিক (Pulsar 150 Classic)। এ ছাড়া ছোট মডেল পালসার ১২৫ বাইকেও (Bajaj Pulsar) এই একই আধুনিক স্ক্রিন সহ পরীক্ষা চালাতে দেখা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: পকেটে টান পড়তে চলেছে বাইকপ্রেমীদের! ভারতে এক লাফে মহার্ঘ্য হল KTM RC 160
সাশ্রয়ী মূল্যে বাইক তৈরির বিষয়ে বাজাজ সর্বদাই বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। এতদিন পর্যন্ত বাজারে অপ্রয়োজনীয় বা চাহিদাহীন অতিরিক্ত চোখধাঁধানো ফিচার বাইকে দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে কোম্পানিটি। সেই কারণেই প্রতিযোগিতামূলক বাজারে তারা বাইকের দাম সবসময় সাধ্যের মধ্যে রাখতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু ২০২৬ সালের বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে টিভিএস রাইডার ১২৫ এবং হোন্ডা সিবি হর্নেট ১২৫-এর মতো তুলনামূলক ছোট ১২৫ সিসির বাইকেও টিএফটি ডিসপ্লে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেখানে বাজাজের ফ্ল্যাগশিপ মডেল পালসার এনএস৪০০জেড (NS400Z)-এ এখনও এলসিডি স্ক্রিন রয়েছে। বাজার ও প্রযুক্তির এই ট্রেন্ডের সঙ্গে তাল মিলিয়েই এখন চাকন ভিত্তিক এই সংস্থাটি পালসার সিরিজের সব মডেলে টিএফটি স্ক্রিন সংযোজনের উদ্যোগ নিয়েছে।
তবে নতুন এই ফিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিষয় স্পষ্ট রাখা হয়েছে। সম্ভবত প্রতিটি পালসার মডেলের (Bajaj Pulsar) টপ-স্পেক বা প্রিমিয়াম ভ্যারিয়েন্টেই এই আধুনিক টিএফটি স্ক্রিনটি পাওয়া যাবে। বাইকপ্রেমীদের বাজেট ও সাধারণের সাধ্যের কথা মাথায় রেখে কম দামি এবং সাধারণ ট্রিম ভ্যারিয়েন্টগুলিতে আগের মতোই এলসিডি ড্যাশবোর্ড বহাল রাখা হতে পারে।
