অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টাকে (Preity Zinta) ঘিরে দীর্ঘদিনের প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন প্রাক্তন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ব্রেট লি (Brett Lee)। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এই ফাস্ট বোলার স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তাঁরা দুজনে কেবলই ভালো বন্ধু এবং অভিনেত্রীর প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে।
‘বোম্বে টাইমস’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ব্রেট লি ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকের সেই ডেটিং সংক্রান্ত গুঞ্জন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান, যা তৈরি হয়েছিল প্রীতির মালিকানাধীন দল পাঞ্জাব কিংসের হয়ে খেলার সময়ে। এতদিন পর অবশেষে এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলে সব গুঞ্জনে ইতি টানলেন তিনি।
ব্রেট লি বলেন, “আপনাদের জন্য আসল খবর এটাই—আমি কখনও কোনো বলিউড অভিনেত্রীর সাথে প্রেম করিনি। প্রীতি জিন্টা (Preity Zinta) এবং আমি তখনও খুব ভালো বন্ধু ছিলাম, এখনও সেরা বন্ধু। তৎকালীন সময়ে তিনি পাঞ্জাব দলের প্রধান ছিলেন। তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমতী একজন নারী এবং তাঁর প্রতি আমার অপরিসীম শ্রদ্ধা রয়েছে। এই ধরনের গল্প বা গুঞ্জন আমাকে কখনও ভাবায়নি কারণ আমি সবসময় সত্যিটা জানতাম। মানুষ যত খুশি কল্পনা করতেই পারে, কিন্তু আমি এসব কখনও নিজের ওপর প্রভাব ফেলতে দিইনি।”
ব্রেট লি ও প্রীতি জিন্টার (Preity Zinta) প্রেমের গুঞ্জন
২০০৮ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে, যখন ব্রেট লি পাঞ্জাব কিংস দলের সাথে যুক্ত ছিলেন, তখন প্রীতির সাথে তাঁর নাম জড়িয়ে নানা খবর ছড়ায়। মুম্বাইয়ের একটি রেস্তোরাঁয় দুজনকে একসাথে দেখার পর এই জল্পনা আরও তুঙ্গে ওঠে। ২০১০ সালেই এই গুঞ্জনের প্রেক্ষিতে প্রীতি জিন্টা তাঁদের সম্পর্কের কথা পরিষ্কার করে লিখেছিলেন, “আমার মনে হয় প্রতি বছর ব্রেটের সাথে আমার রোমান্টিক নাম জড়ানোর খবরটি এখন বেশ পুরানো ও বাসি খবর! অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলছি, এখানে রোমাঞ্চকর কোনো খবর নেই! বন্ধুরা, আমরা শুধুই বন্ধু।”
আরও পড়ুন: ‘রামায়ণ’ মুক্তির আগেই বিতর্কের মেঘ! এল চরম হুঁশিয়ারি
ব্যক্তিগত জীবনের কথা বলতে গেলে, ব্রেট লি ২০০৬ সালে এলিজাবেথ কেম্পকে বিয়ে করেন এবং তাঁদের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। তবে দুই বছর পর তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে এবং ২০০৯ সালে আইনি বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে তিনি লানা অ্যান্ডারসনকে বিয়ে করেন এবং তাঁদের দুটি সন্তান রয়েছে।
অন্যদিকে, প্রীতি জিন্টা (Preity Zinta) ২০১৬ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসে জিন গুডএনাফকে বিয়ে করেন এবং ২০২১ সালে সারোগেসির মাধ্যমে জমজ সন্তানের মা হন। কাজের ক্ষেত্রে প্রীতিকে পরবর্তীতে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ (Batwara 1947) ছবিতে দেখা যাবে। ছবিটি আগামী ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে।
