Tej Sapru: বলিউডে ‘চিরযৌবনা’ অভিনেত্রী হিসাবে রেখা (Rekha) আজও বহুল জনপ্রিয়। নিজের সৌন্দর্য এবং অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দশকের পর দশক ধরে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে রাজত্ব করছেন তিনি। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না যে, বলিউডের এক সময়ের অত্যন্ত দাপুটে খলনায়ক তেজ সপ্রু সম্পর্কে রেখার ভগ্নিপতি হন। অমরীশ পুরী বা প্রেম চোপড়াদের উত্তরসূরি হিসেবে তেজ সপ্রু নিজের কটা চোখ এবং ভয়ঙ্কর চাহনি দিয়ে এক সময় দর্শকদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেন। আজ ৫ এপ্রিল এই প্রবীণ অভিনেতার জন্মদিন। ১৯৫৫ সালের এই দিনে মুম্বইয়ের এক চলচ্চিত্র পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। তাঁর বাবা ডিকে সপ্রু এবং মা হেমাবতীও ছিলেন চলচ্চিত্র জগতের পরিচিত মুখ।
তেজ সপ্রুর (Tej Sapru) ব্যক্তিগত জীবন এবং রেখার পরিবারের সাথে তাঁর সম্পর্ক বেশ কৌতূহলপূর্ণ। তেজ বিয়ে করেছেন রেখার ছোট বোন ধনলক্ষ্মীকে। তবে এই সম্পর্কের শুরুর পথটা খুব একটা মসৃণ ছিল না। স্বয়ং তেজ সপ্রু এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, রেখা প্রথমে এই বিবাহের ঘোর বিরোধী ছিলেন। আসলে ধনলক্ষ্মীর সাথে সম্পর্কের সময় তেজ সপ্রু বিবাহিত ছিলেন। রেখা ভয় পেয়েছিলেন যে তাঁর বোনের জীবন হয়তো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু রেখার মা পুষ্পাবলী চেয়েছিলেন তেজ যেন তাঁদের বাড়ির জামাই হন। অভিনেতা জানিয়েছিলেন যে, ভাগ্য আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে ধনলক্ষ্মীর সাথেই হওয়ার ছিল, তাই তিনি প্রথম স্ত্রীর সাথে বিবাহবিচ্ছেদ করে রেখার বোনকে বিয়ে করেন। বর্তমানে তাঁদের আকাঙ্ক্ষা নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘রামায়ণ’ নিয়ে রণবীরের মন্তব্য মূহুর্তে ভাইরাল! কবে মুক্তি পাচ্ছে ছবি?
আশ্চর্যের বিষয় হল, তেজ সপ্রু কখনোই অভিনেতা হতে চাননি। তাঁর ধ্যানজ্ঞান ছিল ক্রিকেট এবং তিনি একজন পেশাদার ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু নিয়তি তাঁকে টেনে আনে রূপালি পর্দায়। তাঁর চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশের গল্পটিও বেশ নাটকীয়। একদিন তাঁর বাবা তাঁকে জানান যে ‘সুরক্ষা’ ছবির পরিচালক রবিকান্ত একজন নতুন মুখ খুঁজছেন। তেজ তাঁর তৎকালীন ভগ্নিপতি রাকেশ নাথের সাথে পরিচালকের সাথে দেখা করতে যান। পরিচালক তাঁকে দেখামাত্রই বলে ওঠেন যে, এই ছেলেই হবে তাঁর ছবির হিরো। এভাবেই নায়ক হিসেবে তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হলেও পরবর্তীকালে খলনায়কের চরিত্রেই তিনি আসল পরিচিতি পান।
তেজ সপ্রুর (Tej Sapru) দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৮০টিরও বেশি ছবিতে কাজ করেছেন। তবে ১৯৮৯ সালটি তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। সেই বছর ‘ত্রিদেব’ ছবিতে অমরীশ পুরীর ছেলে গোগার চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসা পান। এরপর ১৯৯৪ সালে ‘মোহরা’ ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মনে দাগ কাটে। এছাড়াও ‘ঘায়েল’, ‘দিব্য শক্তি’ এবং ‘বিশ্বাত্মা’-র মতো অসংখ্য ছবিতে তিনি স্মরণীয় নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ক্রিকেট মাঠের স্বপ্ন ছেড়ে পর্দার খলনায়ক হয়ে ওঠা তেজ সপ্রু আজও তাঁর বলিষ্ঠ অভিনয়ের জন্য বলিউডে শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে আছেন। রেখার পরিবারের সাথে তাঁর এই অজানা সম্পর্কের কথা আজও অনেক অনুরাগীর কাছে এক বড় চমক।
সোমবার নয়ডায় শ্রমিকদের তীব্র আন্দোলনের (UP govt hikes daily wages) জেরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল এনসিআর-এর…
১৪ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার: আজ মঙ্গলবার বাংলা বছরের শেষ দিন (Rashifal Bangla) অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তি।…
ভারতের মোটরসাইকেল বাজারে বড়সড় রদবদল ঘটিয়ে বাজাজ অটো তাদের জনপ্রিয় ফ্ল্যাগশিপ বাইক ডোমিনার ৪০০-এর একটি…
ভারতীয় সঙ্গীতের এক স্বর্ণযুগের অবসান ঘটিয়ে চিরবিদায় নিলেন কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle Cremated…
ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X (পূর্বনাম টুইটার) তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য (Elon Musk's X…
‘ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো’ (Infinix Note 60 Pro launched) ভারতের বাজারে লঞ্চ হল। দেশের স্মার্টফোন…