আজ ২ এপ্রিল দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে হনুমান জয়ন্তী (2026 Hanuman Jayanti)। অত্যন্ত ভক্তি ও শ্রদ্ধার সাথে এই পবিত্র উৎসব পালন করা হয়। ধর্মীয় মান্যতা অনুসারে চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতেই পবনপুত্র হনুমান জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাই এই বিশেষ দিনে বজরংবলীর পূজা করলে জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি আসে বলে ভক্তদের বিশ্বাস। তবে অনেক সময়ই মহিলাদের মনে একটি প্রশ্ন জাগে যে তাঁরা কি হনুমান জয়ন্তীর ব্রত পালন করতে পারেন?
জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে মহিলারাও পূর্ণ শ্রদ্ধাভরে হনুমান জয়ন্তীর উপবাস রাখতে পারেন এবং পূজা করতে পারেন। বিবাহিত এবং অবিবাহিত উভয় মহিলারাই এই দিনে উপবাস রেখে হনুমানজির আশীর্বাদ পেতে পারেন। তাঁরা ভক্তিভরে হনুমান চালিশা পাঠ করে মন্ত্র জপ বা ভজন শুনলেও কোন দোষ নেই।
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে মহিলাদের পূজা বা ব্রত (2026 Hanuman Jayanti) থেকে দূরে থাকা উচিত। মাসিক ঋতুচক্র চলাকালীন সময়ে কোনোভাবেই হনুমানজির পূজা করা উচিত নয়। এছাড়া যদি বাড়িতে সম্প্রতি কোনো শিশুর জন্ম হয়ে থাকে বা কোনো অশুভ ঘটনা ঘটে থাকে, তবে পূজা করা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। এই বিশেষ পরিস্থিতিগুলি বাদ দিলে অন্য সাধারণ দিনগুলিতে মহিলারা নির্দ্বিধায় ভক্তিভরে বজরংবলীর আরাধনা করতেই পারেন।
শাস্ত্রমতে অঞ্জনিপুত্রকে বাল-ব্রহ্মচারী হিসেবে মানা হয়। তাই মহিলাদের জন্য কিছু বিশেষ নিয়ম পালন করা বাধ্যতামূলক। মহিলারা হনুমানজির মূর্তিকে সরাসরি স্পর্শ করবেন না এবং সিঁদুর ও তেলের চোলা অর্পণ করবেন না। বজরংবলীর চরণ স্পর্শ করা থেকেও মহিলাদের বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে মহিলারা দূর থেকে ফুল ও প্রসাদ নিবেদন করতে পারেন এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করতে পারেন।
আরও পড়ুন: বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে করোনার নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট ‘সিকাডা’, কতটা বিপজ্জনক?
হনুমান জয়ন্তীর ব্রত পালনের ক্ষেত্রে ভক্তের শারীরিক সামর্থ্য ও মনের ভক্তিই সর্বাধিক বিবেচ্য বিষয়। যদি কোনো মহিলা পূর্ণ উপবাস রাখতে অক্ষম হন তবে তিনি ফল খেয়ে বা দিনে একবার সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করে ব্রত রাখতে পারেন। স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই উপবাসের নিয়ম নির্ধারণ করা উচিত বলে জ্যোতিষাচার্য জানিয়েছেন। শাস্ত্রমতে মহিলাদের জন্য হনুমানজির পূজা বা ব্রত পুরোপুরি বৈধ তবে কিছু ধর্মীয় শিষ্টাচার মেনে চলা আবশ্যক।
নিষ্ঠার সঙ্গে করা পূজা (2026 Hanuman Jayanti) সবসময়ই ফলদায়ী হয় এবং ভক্তের মনষ্কামনা পূর্ণ করে। এই পবিত্র দিনে হনুমানজির আরাধনা করলে জীবনে ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায়। এছাড়া সাহস ও সাফল্যের পথ প্রশস্ত হয়। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে মহিলারাও সমানভাবে ভক্তির সাথে এই উৎসবে শামিল হয়ে নিজেদের আধ্যাত্মিক উন্নতি ঘটাতে পারেন। পবনপুত্রের আশীর্বাদে মানসিক শান্তি ও পারিবারিক মঙ্গল সাধিত হয় বলে হিন্দু ধর্মে বিশ্বাস করা হয়।
Royal Enfield Bullet 650 অবশেষে ভারতের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হল। মোটরসাইকেলপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে…
New-gen Tata Tiago: ভারতের গাড়ি বাজারে মধ্যবিত্তের অন্যতম পছন্দের এবং অন্যতম সেরা বিক্রিত হ্যাচব্যাক টাটা…
তীব্র গরম আর অস্বস্তিকর আবহাওয়ার (West Bengal Weather Update) পর অবশেষে দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের জন্য স্বস্তির…
গ্রহমণ্ডলীর অবস্থান পরিবর্তন (Rashifal Bangla) এবং মহাজাগতিক শক্তির প্রবাহ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রতিনিয়ত নতুন তরঙ্গ…
পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের সামাজিক ও আর্থিক সুরক্ষার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। নবান্ন থেকে…
মহাবিশ্বের অন্তহীন দূর নীলিমায় গ্রহ-নক্ষত্রের (Bangla Rashifal) নিরন্তর আবর্তন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সুখ-দুঃখ, সাফল্য ও…